২০২৩ সালে বাতাসের গুণগত মানের দিক দিয়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ।
২০২৩ সালে শব্দ দূষণেও বিশ্বের শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম, রাজধানী ঢাকায় এই দূষণের মাত্রা অন্য যে কোনো শহরের চেয়ে বেশি।
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলের ৪৮টি দেশের মধ্যে নদীর পানি সবচেয়ে বেশি দূষিত হচ্ছে বাংলাদেশে।
মাটি দূষণে মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ।

বাংলাদেশে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।এগুলো পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান যেমন বায়ু, পানি, মাটি এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।প্রধান আইন ও বিধিমালাসমূহ নিম্নরূপ:
১. বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫: এই আইন পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের জন্য প্রণীত হয়েছে। এটি পরিবেশ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা এবং পরিবেশগত ছাড়পত্রের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করে।
২. পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩: এই বিধিমালা পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্রের প্রক্রিয়া, পরিবেশগত মানদণ্ড এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা প্রদান করে।
৩. বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২: এই বিধিমালা বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও নির্দেশনা প্রদান করে, যা শিল্প প্রতিষ্ঠান, যানবাহন এবং অন্যান্য উৎস থেকে নির্গত বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
৪. ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১: এই বিধিমালা ইলেকট্রনিক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা, পুনঃব্যবহার এবং পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করে, যা পরিবেশ দূষণ রোধে সহায়ক।
৫. কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১: এই বিধিমালা কঠিন বর্জ্যের সংগ্রহ, পরিবহন, প্রক্রিয়াকরণ এবং নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশনা প্রদান করে, যা পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়ক।
৬. শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬: এই বিধিমালা শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও নির্দেশনা প্রদান করে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় সহায়ক।
৭. ওজোন স্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৪: এই বিধিমালা ওজোন স্তর ক্ষয়কারী রাসায়নিক দ্রব্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি এবং ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করে।
উপরোক্ত আইন ও বিধিমালাসমূহ পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং পরিবেশের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।